Ad Code

Ticker

8/recent/ticker-posts

উমর (রাঃ) ঢাকা সফর একটি ভিন্ন সাধের, ভিন্ন ধারার এবং একটি ব্যতিক্রমধর্মী সাবলীল উপস্থাপনা।

উমর (রাঃ) ঢাকা সফর একটি ভিন্ন সাধের, ভিন্ন ধারার এবং একটি ব্যতিক্রমধর্মী সাবলীল উপস্থাপনা।

উমর (রাঃ) ঢাকা সফর


বইটি লেখা হয়েছে বাংলাদেশের সমাজ, রাষ্ট্র ও আদর্শের প্রেক্ষাপটে। গ্রন্থের লেখক মুহাম্মদ নূরুযযামান তার সাহিত্যিক কল্পনায় অর্ধ-পৃথিবীর শাসককর্তা উমর (রাঃ) এর শাসনামলের চিত্র তুলে ধরেছেন অপরূপ ভঙ্গিমায়। লেখক বইটিতে ওমর (রাঃ) কে কল্পনা করেছেন একজন আগন্তুক অতিথির চরিত্রে যিনি ঢাকা শহরের অলিগলি ঘুরে ঘুরে সমসাময়িক দুর্দশা ও অনৈসলামিক কার্যকলাপ অবলোকন করে তার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেছেন এবং তাঁর সাথে থাকা যুবকের বিভিন্ন প্রশ্নের সুন্দর সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছেন। বইটি একদিকে মুসলিমদের জন্য চলার পথের পাথেয়, অন্যদিকে এটি অবিশ্বাসী এবং বিপথগামী সমাজ নেতাদের জন্য চপটেঘাত। মূলত সামাজিক বাস্তবতাকে ইসলামের আলোকে উপস্থাপন বইটিকে অনন্যতা দান করেছে।

বইটি কাদের জন্য-----

সমাজের সকল স্তরের মানুষের জন্য বইটি উপযোগী। তবে বিশেষভাবে তরুণদের জন্য এটি বেশি উপযোগী যারা সমাজকে পরিবর্তন করতে আগ্রহী।

বইটি কেন পড়া উচিত----

বিশ্বে বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটি যেন সমস্যায় জর্জরিত একটি জনপদ।
জনসংখ্যায় নূজ্য দেশটির চারদিকে শুধু অনিয়ম আর বিশৃঙ্খলা।
একজন আরেক জনকে ঠকাচ্ছে।
সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে যাচ্ছে।
অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা আমাদের লজ্জাকেও হার মানাচ্ছে।
সমাজে ধনী-গরীবের ব্যবধান যেন প্রতিনিয়ত বাড়ছেই।
মানুষ কোরআন ও ইসলাম ছেড়ে দৌড়াচ্ছে পাগলা বাবা, পীর-মাজারে।
প্রতিনিয়ত পাল্লা দিয়ে বাড়ছে খুন-গুম-হত্যা-সন্ত্রাস।
নেতৃত্বের আসনে বসে বাতিল শক্তিরা তৈরি করছে ইসলাম বিরোধী আইন।
ইসলামের শত্রুরা নিত্যনতুন কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে অবিরত।
এমন একটি হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতিতে আজ যদি আমিরুল মোমেনিন উমর (রাঃ) থাকতেন তবে---
তিনি কি করতেন?
কেমন হতো তার শাসন পরিচালনার নীতি?
তিনি কোন বিষয়টিকে সবার আগে প্রাধান্য দিতেন?
তিনি কীভাবে এসব সমস্যার মোকাবিলা করতেন?
তিনি কি পারতেন সকল সমস্যা পায়ে দলে নতুন পৃথিবী গড়তে??
এমন চমকপ্রদ ঘটনা নিয়ে লেখকের একটি স্বপ্নের সংলাপ "উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর" বইটি। ইনশাআল্লাহ বইটি প্রতিটি পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।

বইটির বিষয়বস্তু -----

বইটিকে লেখক আটটি অনুচ্ছেদে ভাগ করেছেন।
প্রথম অনুচ্ছেদে লেখক অসংখ্য মানুষের ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকার কথা উল্লেখ করেছেন যাদের কোনো বাসস্থান নেই। অথচ পাশেই সারিসারি বিশাল অট্টালিকা রয়েছে। মূলত ইসলামের ফরজ বিধান যাকাত সঠিকভাবে আদায় না হওয়া এবং তা সঠিক পদ্ধতিতে বন্টন না হওয়ায় আজকে ধনী-গরিবের এই ব্যবধান বাড়ছে। ব্যক্তি পর্যায়ে কাপড়,লুঙ্গি দ্বারা যাকাত আদায় না করে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বায়তুলমাল গঠন করে সরকারকেই যাকাত বন্টনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ব্যক্তি পর্যায়ে ইসলাম মানলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে তা না মানা, অধার্মিক শাসকের হাতে বাইয়াত করার অসারতা, ভোটারবিহীন সরকারের হাতে ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা বইটিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে একই ডাস্টবিনে কুকুর ও অসহায় মা-শিশুর খাদ্য সংগ্রহের করুণ চিত্র ভেসে উঠেছে। এক্ষেত্রে ওমরের শাসনামলে খলিফার নিজের কাঁধে খাবার বহনের উদাহরণ টানা হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশের আচরণ, সীমান্তে নির্বিচার হত্যা, অবাধ অনুপ্রবেশ জনসংখ্যার সমস্যা, নেতাদের সীমাহীন দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এক্ষেত্রে ওমর ও উসমান (রাঃ) এর শাসনামলের উদাহরণ টেনে বলা হয়েছে, শাসক জনগণের খাদেম; প্রভু নয়। সম্ভাবনার কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের সম্পদ ও জনসংখ্যাকে কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছে। সত্যের বিজয়ে সংখ্যাধিক্যের চেয়ে ঈমানী দৃঢ়তা, ত্যাগ-কোরবানি, মানবতার সেবাই মূখ্য। উদাহরণ হিসেবে তুরস্কের বীর বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে লক্ষ্মণ সেনের পলায়ন; যা মাত্র ১৭জন মুজাহিদের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে। ইস্পাত কঠিন ঈমানী দৃঢ়তা নিয়ে ১৭বছরের টগবগে তরুণ মুহাম্মদ বিন কাসিম অত্যাচারী রাজা দাহিরের মসনদ চুরমার করে দেন। সুলতান মাহমুদ ১৭বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেও ক্লান্ত হয়নি ঈমানী দৃঢ়তার বলেই। অপরদিকে আমাদের অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হয়েছে, আদর্শহীনতা আর ঈমানী দৃঢ়তার অভাবই আমাদের অনগ্রসরতার মূল কারণ। সবশেষে নিজেদের দায়িত্ববোধ মনে করিয়ে দিয়ে বলা হয়েছে , প্রত্যকেই দায়িত্বশীল, আর দায়িত্বের ব্যাপারে সবাইকে জিজ্ঞাসা করা হবে।
তৃতীয় পরিচ্ছেদে প্রেক্ষাগৃহ, সিনেমা, গান-বাদ্য-নৃত্য, ইসলামের আগমনে মক্কার কাফের নেতৃত্ত্বের বিরোধিতা, রাসূলকে অপবাদ প্রভৃতি বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পাপকে ধ্বংস করতে হবে। পাপের সমুদ্রে নিমজ্জিত থেকে মনকে পবিত্র রাখা অসম্ভব। বলা হয়েছ, হারাম আয়ের দ্বারা ইবাদত আল্লাহ কবুল করেন না। এক্ষেত্রে গায়ক-গায়িকা-নর্তকীর উপার্জন হারাম। আজকে মানুষ অবৈধ পেশায় নিয়োজিত থাকছে আবার নামাজও পড়ছে। ফলে এ নামাজ তার কোন কাজে আসছে না। এরপর রাসুলের দাওয়াতের বিরোধিতা এবং নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। নামাজ রত অবস্থায় রাসূলের গলায় ফাঁস, আবু বকরকে লাথি, বেলাল আম্মারকে জ্বলন্ত অঙ্গারে পুড়ানো, সুমাইয়াকে বর্ষা নিক্ষেপে হত্যা প্রভৃতি উল্লেখ করে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে–শত বাঁধার পাহাড় পেরিয়ে কঠিন পরিবেশ জয় করে দ্বীনের বিজয় এসেছে। সবশেষে 200 বছরের ইংরেজ শাসন, আযাদী আন্দোলনের ব্যর্থতা, নীলকরদের অত্যাচার, কবি নজরুলকে পঙ্গু করে দেয়া, সিরাজউদ্দৌলা, শরীয়তুল্লাহ, তিতুমীরের সংগ্রামী আন্দোলনকে সামনে আনা হয়েছে। এসব আন্দোলন ও ইসলাম ধ্বংসের ষড়যন্ত্রে একে একে গঠিত হয়েছে ফিল্ম উন্নয়ন বোর্ড, ললিতকলা কেন্দ্র, আর্ট কাউন্সি, নৃত্যগীত সেন্টার প্রভৃতি।
চতুর্থ পরিচ্ছেদে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ, আরম্ভর বিবাহ অনুষ্ঠান, পীরের মাজারে ওরশ শরীফের আয়োজন করা, মূর্তিপূজার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, শহীদ ও শাহাদাত আরবি শব্দ; যা শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ঈমানের সাথে সংশ্লিষ্ট। বলা হয়েছে সংগ্রামের সফলতা স্তম্ভ নির্মাণ নয় কর্মের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। স্তম্ভ নির্মাণ বা মূর্তি তৈরি করা রোমান পৌত্তলিক ও মুশরিকদের কাজ, যা মুসলমানদের ঈমান ধ্বংস করে। এছাড়া দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু ঢোকানোই বেদআত। এক্ষেত্রে পীরের মাজারে জাঁকজমকপূর্ণ ওরশ, পীরের কাছে মানত, তাদের কাছে চাওয়া, মাজারে বাতি দেওয়া সম্পূর্ণ শিরক ও বিদআতী কাজ। মাকাল গাছ থেকে যেমন আপেল আশা করা যায় না, তেমনি পীরের দরবার হতে ইসলামের খেদমত আশা করাও অবান্তর। এছাড়া কবরের ফিতনা সম্পর্কেও সাধারন মুসলমানদের সচেতন করা হয়েছে।
পঞ্চম পরিচ্ছেদ হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা, বাংলার মুসলমানদের নিজস্ব সংস্কৃতি, দ্বীনে তখত প্রভৃতি বিষয় আলোচিত হয়েছে। বলা হয়েছ, হিন্দুরা মুসলিমদের বন্ধু হতে পারে না। কেননা তারা ভেতরে চরম সাম্প্রদায়িক হলেও বাহিরে তারা গণতন্ত্রের ধ্বজাধারী। এজন্য দুটি দলকে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন; যার একটি হল হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে জিহাদকারী দল। আজকে সোহরাওয়ার্দীতে অনির্বাণ শিখা জ্বলছে অথচ ঈমানী বলেই কাদেসিয়ার যুদ্ধ মুসলিমগণ খসরু পারভেজের অনির্বাণ অগ্নিকুণ্ড নিভিয়ে দিয়েছিল। বলা হয়েছে, কোনো মানুষকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানানো মুসলিম সংস্কৃতি নয়। মুসলিম সংস্কৃতি স্থান-কাল-পাত্রভেদে এক ও অভিন্ন। ইসলামে মূর্তিপূজারও কোনো স্থান নেই। মুসলিমগণ বেঁচে থাকে কর্মের মধ্যে আর কাফির কর্মের চেয়ে স্মৃতিসৌধকে ভালবাসে বেশি। স্মৃতিসৌধ না থাকলেও মানুষ বদরী সাহাবী, হামজা, খালিদকে ভুলে যায়নি আজো; তারা অমর। বর্তমান নেতৃত্বকে লেখক দ্বীনে তখত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। যেখানে নেতৃবৃন্দ নিজের গদি রক্ষার জন্য নিজেরাই নিয়ম তৈরি করে মানুষকে তা মানতে বাধ্য করে। যেমন-আকবরের দ্বীন-ই-ইলাহী। এদেশের নেতৃবৃন্দ ও বুদ্ধিজীবীগণ দ্বীনকে নিছক ব্যক্তিগত ব্যাপার মনে করে; তাদের মতে রাষ্ট্র নিরপেক্ষ। আসল কথা হচ্ছে তাগুত ও দ্বীন কখনো সহাবস্থানের থাকতে পারেনা।
ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে জুমআর নামাজের চিত্রের মাধ্যমে বর্তমান সময়ে মসজিদ এবং তৎসংশ্লিষ্ট ইমাম, মোয়াজ্জিন, খতিব, পরিচালনা কমিটির বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বর্তমানে ধর্মকর্মকে মসজিদে তালাবদ্ধ রাখা হয়েছে। মসজিদে সমকালীন বিষয়াদি, রাজনীতি, নেতৃত্বের দোষ-গুণ বর্ণনা করা যায় না। ইমাম-খতীবদের দায়িত্ব আজ শুধু নামাজে নেতৃত্ব দেওয়া; মসজিদের নেতৃত্ব থাকে কমিটির হাতে। তাই এইসব আপসকামী, নিরলস দ্বীনি অনুভূতিহীনদের দ্বারা দ্বীনের বিজয় অসম্ভব। নেতৃত্বের মোহ আজকে জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আজকের মসজিদগুলো চাকচিক্যের ব্যাপারে উদার। বর্তমানে মসজিদ কমপ্লেক্সের নামে ব্যবসা অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
সপ্তম পরিচ্ছেদে একদল যুবক একটি কাল্পনিক পরিবেশ তৈরি করে সেখানে ইসলাম পূর্ব ও পরবর্তী যুগের বাস্তব নমুনা নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। সেখানে তুলে ধরা হয়েছে জাহেলি যুগের গোত্রপ্রধানদের আচরণ, ইয়াতিমের সম্পদ আত্মসাৎ, লুটতরাজ, খুন, ধর্ষণ, গানের আসরে নর্তকীদের উদ্দাম নৃত্য, জীবন্ত মেয়েকে কুয়োয় ফেলে হত্যার মতো নিঃসংশ ঘটনাবলী। এরপর দেখানো হয়েছে উদীয়মান সূর্য, সোনালী সম্ভাবনা, রাসূলের দাওয়াত ও তার বিরোধিতার চিত্র। সবশেষে ২৩ বছরের সংগ্রামী আন্দোলনের মাধ্যমে দ্বীনের বিজয়কে উপস্থাপন করা হয়েছে অনুপম ভঙ্গিমায়।
সবশেষ অষ্টম পরিচ্ছেদে মসজিদে নববীতে সাহাবীদের সাথে উমর (রাঃ) এর বৈঠকখানার কাল্পনিক সংলাপ তুলে ধরা হয়েছে। বৈঠকখানায় আশারায়ে মুবাশশারা ও আসহাবে সুফফার সদস্যগণ, বাসূলের নাতি হাসান-হোসাইন, কুরআনের অবমাননার প্রতিবাদে নিহত ১১জন শহীদসহ নাহবন্দের শহীদ নোমান বিন মুকরিউন, মিশরের হাসান-আল-বান্না, সাইয়্যেদ কুতুবের উপস্থিতি লক্ষনীয়। সকল শহীদের শরীর থেকে তাজা রক্ত ঝরে পড়ছে তখনও। সবার মনেই পুনরায় শহীদ হওয়ার তীব্র বাসনা। আমিরুল মোমেনিন উমর রাঃ সবার সামনে বাংলাদেশের অসহায় চিত্র তুলে ধরতে গিয়ে বলেন- দেশটির তিনদিক পৌত্তলিকবেষ্টি এবং একদিকে সীমাহীন সমুদ্র। দেশটি মুসলিম বিশ্ব হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন,এতিম। প্রচুর সম্পদ থাকার পরেও তারা দুর্বল ও দরিদ্র, সীমান্ত অরক্ষিত। এসব শুনে উপস্থিত সকলে উমর রাঃ এর কাছে জিহাদের অনুমতি প্রার্থনা করতে থাকে। সকলের আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে কাবার আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত হতে থাকে। একসময় সকল শহীদ ও সাহাবীরা আকাশে উড়ে যেতে থাকে। আকাশে লক্ষ মানুষ "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু" খচিত সাদা পতাকা নিয়ে ইসলামকে যারা বিজয়ী করেছে তাদের সংবর্ধনা দিতে থাকে। সবশেষে ফযরের আযান শুনে যুবকের ঘুম ভাঙার মাধ্যমে ইতি টানা হয়েছে "উমর রাঃ এর ঢাকা সফর" নামক স্বপ্নের সংলাপটি।


 বই : উমর (রা.)-এর ঢাকা সফর

ট্যাগলাইন : একটি স্বপ্নের সংলাপ

লেখক : মুহাম্মদ নূরুযযামান

পৃষ্ঠা : ১২০

মূল্য : ১৪০ টাকা (ফিক্সড)




Post a Comment

0 Comments

Ad Code