Ad Code

Ticker

8/recent/ticker-posts

শীঘ্রই আসছে - কারবালা ইয়াজিদ

কারবালা ইয়াজিদ  

কারবালা ইয়াজিদ


আল্লামা মানাভি বলেন—‘হুসাইন (রা.)-এর হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বর্ণনা আমাদের হৃদয় ছিন্নভিন্ন করে দেয়, শরীরকে গলিয়ে দেয়। যে তাঁকে হত্যা করেছে অথবা এতে সন্তুষ্ট হয়েছে অথবা আদেশ দিয়েছে—তাদের প্রত্যেকের ওপর আল্লাহর লানত। আদ জাতি যেভাবে ধ্বংস হয়েছে, তারাও সেভাবে ধ্বংস হোক!’


ইমাম কাওয়ামুদ্দিন আস সাফফারি বলেন—‘ইয়াজিদকে লানত দিতে কোনো দোষ নেই। তবে মুয়াবিয়া (রা.)-কে লানত দেওয়া যাবে না।’

আল মাওলা ইবনুল কামাল বলেন—‘প্রকৃত কথা হলো, ইয়াজিদকে তার কুফরির কুখ্যাতি, বীভৎসতা ও অপকর্মের জন্য যেসবের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়, তাতে তাকে লানত দেওয়া জায়েজ। তা না হলে কোনো ফাসিককেও নির্দিষ্ট করে লানত দেওয়া যাবে না।’

ইবনুল জাওযিকে ইয়াজিদ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জবাব দেন—‘রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—‘যে আবু সুফিয়ানের ঘরে ঢুকবে, সে নিরাপদ।’ আর আমরা জানি, তার বাবা সেই ঘরে ঢুকেছিলেন, ফলে নিরাপদ হয়ে গেছেন। কিন্তু পুত্র তো সেখানে ঢোকেনি।’

একজন প্রখ্যাত আশআরি আলিম ছিলেন আল্লামা তাফতাজানি (রহ.)। তিনি বলেছেন—‘আমরা যদি ইয়াজিদকে অভিশাপ দিই, তবে সে যা করেছে, তার প্রেক্ষিতে এতে কোনো সমস্যা নেই।’ এমনকি ইবন হাজার আল আসকালানিও খুবই স্পষ্টভাবে ইয়াজিদের বিরোধিতা করেছেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—‘আমার উম্মাহর ধ্বংস ঘটবে একদল মূর্খ কুরাইশ যুবকদের হাতে।’

ইবন হাজার আল আসকালানীর মতে, এখানে কুরাইশ যুবকদের দল বলতে মূলত ইয়াজিদ এবং তার সহযোগীদের বোঝানো হয়েছে।

Post a Comment

0 Comments

Ad Code