জনাব Ruhul Amin Sadi বই সম্পর্কে লিখেছেন।
গনফোরাম নামক অখ্যাত একটা দলের কাছে আমাদের বাঘা বাঘা ইসলামী পলিটিশিয়ান, ক্যাডারভিত্তিক নন ক্যাডারভিত্তিক সাংগঠনিক সিস্টেম, সবাই ফেল মেরে দিলেন গত ইলেকশনে। এবং আমরা এজন্য ইহুদী নাসারাদেরকে দায়ী করেছিলাম। এখনো করছি।
কিন্তু Ehsanul Haque Jasim তার এমফিল থিসিস 'বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতির ব্যাবচ্ছেদ ' এ লিখলেন, লিখলেন নয় শত শত তথ্য সন্নিবেশিত করে প্রমাণ করলেন, বিপর্যয়ের জন্য ইহুদী নাসারা নয় আমরা নিজেরাই দায়ী।
গতকাল রাতে রমনা পার্কে একটি রেস্তোরাঁয় এই থিসিস নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার ও কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। গার্ডিয়ান পাবলিকেশন বইটি বাজারে এনেছে।
ইসলামী দলগুলোর নেতারা সমালোচনা সহ্য করতে পারেননা। কেউ নেতার ভুল ধরিয়ে দিলে সে ওই দলে আর আগাতে পারেনা।
যিনি মূল নেতা হন বিভিন্ন কায়দা কানুন করে নেতৃত্বে থাকার চেষ্টা করেন। তিনি ইন্তেকাল করার আগে পদ খালি হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
কোথাও খালি হলে এমন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয় যিনি থাকেন বয়সের ভারে ন্যুব্জ। যে বয়সে আল্লাহ তাকে শরিয়তের অনেক আহকাম পালন থেকে মাফ করে দিয়েছেন সেই বয়সে আমরা তাকে আমীর বানাই। উনি নিজেই চলতে পারেনা দল চালাবেন কেমন করে?
আমাদের নেতা কর্মীদের পড়াশোনার লেভেল খুবই কম। ভিন্নমতের বই পড়া হয়ইনা। নির্দিষ্ট কয়েকজন লেখকের বই পড়ে ব্যাপক পরিসরে কাজ করা কিভাবে সম্ভব?
উপমহাদেশের বিশাল বড় ছাত্র সংগঠন যুব সংগঠন বলে তৃপ্তি লাভ করি কিন্তু এসব সংগঠন ও দলের কর্মীরা পৃথিবীকে দেখে গনসংগঠনের রাজনৈতিক চোখ দিয়ে, নিজেদের স্বাধীন চোখ দিয়ে নয়। চিন্তার দাসত্ব তৈরি করে দেয়া হয়।
এই যদি হয় অবস্থা তাহলে রাজনীতি কেমনে করবেন?
তখন শুধু গণফোরাম নয় জংগলের বনফোরামের হাতেও নাকানি চুবানি খেতে হবে ভবিষ্যতে।
এ ধরনের হাজারো প্রশ্ন এবং হাজারো সম্ভাবনার বাস্তব তথ্য নিয়ে হাজির হয়েছে বইটি। অন্তত একবার হলেও বইটি পড়া উচিত। বিশেষ করে ইসলামী রাজনীতির সাথে যারা জড়িত আছেন তাদের জন্য খুবই উপকারী।

0 Comments